https://powerinai.com/

সাম্প্রতিক খবর

ঘরে বসেই জানা যাবে বাবা-দাদার নামে থাকা জমির তথ্য

ঘরে বসেই জানা যাবে বাবা-দাদার নামে থাকা জমির তথ্য ঘরে বসেই জানা যাবে বাবা-দাদার নামে থাকা জমির তথ্য

বাবা কিংবা দাদার নামে দেশের কোথায় কতটুকু জমি রয়েছে, তা জানতে এখন আর বারবার ভূমি অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। ডিজিটাল ভূমিসেবার মাধ্যমে স্মার্টফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করেই অনলাইনে জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর এবং মালিকানাসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এমনকি নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদন করে সংগ্রহ করা যাবে খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপিও।

অনলাইনে জমির তথ্য অনুসন্ধানের জন্য প্রথমে স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে https://e-porcha.com/। সেখানে খতিয়ান অনুসন্ধানের অপশন নির্বাচন করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।


এ ক্ষেত্রে জমির বিভাগ, জেলা, উপজেলা এবং মৌজা নির্বাচন করতে হবে। পাশাপাশি জমির রেকর্ডের ধরন অনুযায়ী বিএস, সিএস, আরএস অথবা এসএ খতিয়ান নির্বাচন করার সুযোগ রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর কিংবা জমির মালিকের নাম দিয়ে অনুসন্ধান করা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণের পর ক্যাপচা যাচাই সম্পন্ন করে অনুসন্ধান বাটনে ক্লিক করলেই সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ড সামনে আসবে। সেখানে মালিকের নাম, খতিয়ান ও দাগ নম্বর এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া যাবে।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ করবেন যেভাবে

অনলাইনে জমির রেকর্ড খুঁজে পাওয়ার পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করা যাবে। এ জন্য নির্দিষ্ট রেকর্ডের আবেদন অপশনে গিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। আবেদন প্রক্রিয়ায় জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল ঠিকানা, মোবাইল নম্বর এবং প্রয়োজনীয় ঠিকানার তথ্য দিতে হয়। এরপর তথ্য যাচাই করে নির্ধারিত ফি অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।

শুধু নাম দিয়ে কি সব জমির খোঁজ পাওয়া যাবে?

এ ক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি, শুধু কোনো ব্যক্তির নাম লিখে দেশের বিভিন্ন স্থানে তাঁর নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া সম্ভব নয়। কারণ ভূমির রেকর্ড নির্দিষ্ট মৌজা, এলাকা এবং দাগ নম্বরের ভিত্তিতে সংরক্ষিত থাকে। ফলে বাবা কিংবা দাদার নামে থাকা সম্পত্তির সন্ধান পেতে সংশ্লিষ্ট জমির অবস্থান ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হয়।

তবে অনলাইনে পাওয়া তথ্যকে জমির প্রাথমিক অনুসন্ধান ও যাচাইয়ের মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার নির্ধারণ কিংবা মালিকানা নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মূল দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং অন্যান্য আইনগত নথি যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পুরোনো সম্পত্তির ক্ষেত্রে একাধিক রেকর্ড ও দলিল মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।








০ টি মন্তব্য



মতামত দিন

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার মতামতটি দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।







পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? পুনরায় রিসেট করুন






রিভিউ

আপনি লগ ইন অবস্থায় নেই।
আপনার রিভিউ দেওয়ার জন্য লগ ইন করুন। যদি রেজিষ্ট্রেশন করা না থাকে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করুন।