কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে গবেষণা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং উন্নত কম্পিউটিংয়ের চাহিদা বিবেচনায় বাংলাদেশের বাজারে নতুন কম্পিউটার ও ল্যাপটপ এনেছে প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গিগাবাইট। নতুন ডিভাইসগুলোতে সরাসরি কম্পিউটারে এআই মডেল চালানোর সুবিধা রয়েছে। ফলে কিছু এআইভিত্তিক কাজের জন্য ক্লাউড সার্ভারের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে।
নতুন কম্পিউটারগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘এআই টপ ১০০ ডব্লিউ৮৮০’ এবং ‘এআই টপ অ্যাটম’। এআই টপ ১০০ ডব্লিউ৮৮০ মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে ইন্টেল কোর আলট্রা ৯ প্রসেসর ও এনভিডিয়া আরটিএক্স ৫০৯০ গ্রাফিকস কার্ড। উচ্চক্ষমতার এসব যন্ত্রাংশের কারণে কম্পিউটারটি জটিল গণনা, গ্রাফিকস প্রসেসিং এবং এআইভিত্তিক বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যাবে। বাংলাদেশে মডেলটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, এআই টপ অ্যাটম মডেলে রয়েছে এনভিডিয়ার গ্রেস ব্ল্যাকওয়েল সুপারচিপ, ১২৮ গিগাবাইট মেমোরি এবং ৪ টেরাবাইট স্টোরেজ। উন্নত কম্পিউটিং ও এআই মডেল পরিচালনার উপযোগী এই ডিভাইসের দাম ১০ লাখ টাকা।
কম্পিউটারের পাশাপাশি গিগাবাইটের ঈগল সিরিজের নতুন ল্যাপটপও এসেছে বাংলাদেশের বাজারে। এতে রয়েছে এএমডি রাইজেন ৫ প্রসেসর, এনভিডিয়া আরটিএক্স ৩০৫০ গ্রাফিকস কার্ড এবং ১৬ ইঞ্চির পর্দা। ল্যাপটপটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার টাকা।
দেশে নতুন কম্পিউটার ও ল্যাপটপগুলো বাজারজাত করছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড। নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য অনুযায়ী, গবেষক, প্রযুক্তি পেশাজীবী এবং উচ্চক্ষমতার কম্পিউটিং প্রয়োজন এমন ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিভাইসগুলো আনা হয়েছে।
সাধারণত ক্লাউডভিত্তিক এআই সেবা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ এবং দূরবর্তী সার্ভারের ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে উপযুক্ত হার্ডওয়্যার থাকলে কিছু এআই মডেল সরাসরি নিজের কম্পিউটারে চালানো যায়। এতে নির্দিষ্ট কিছু কাজে তথ্যের গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং অনলাইন সেবার ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। অবশ্য কোন মডেল কত দ্রুত চলবে, তা নির্ভর করবে হার্ডওয়্যার, মডেলের আকার ও সফটওয়্যারের সামঞ্জস্যের ওপর।











০ টি মন্তব্য