কয়েকদিন ধরে ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ছিল। শনিবার রাতের খাবার শেষে মমতাজ বেগম মমো শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। বাসায় একাধিকবার নেবুলাইজ করা হলেও কোনও উন্নতি হয়নি। অবস্থা খারাপ হলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে যাওয়ার পথে মমোর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য সব সেটআপ করা হলেও মমতাজ বেগম মমো সবকিছুর ঊর্ধে চলে যান। ডাক্তার মমোকে মৃত ঘোষণা করেন।
ভোর রাতে মমতাজ বেগম মমো কে তার পিত্রালয় কুমিল্লায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আজ বাদ জোহর মমতাজ বেগম মমো কুমিল্লার বাড়িতে জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে। জাকির তার স্ত্রী মমতাজ বেগম মমো জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছে। মৃত্যুকালে মমোর স্বামী, মেয়ে সুমর্মি হাসান ও ছেলে জাদীদ হাসানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বড় সন্তান সুমর্মি ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে।
হাসান জাকিরের স্ত্রীর মৃত্যুতে সমকাল সম্পাদক আলমগীর হোসেনসহ সহকর্মীরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। মমতাজ বেগম মমো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। পরে তিনি শিক্ষকতা থেকে ইস্তফা নেন।











০ টি মন্তব্য